থাইল্যান্ডে ৩৬ পণ্য রপ্তানিতে সুবিধা চাইলেন বাণিজ্যমন্ত্রী

0
2
আলহুদানিউজ

বাংলাদেশের সঙ্গে থাইল্যান্ডের বাণিজ্য ব্যবধান কমাতে পণ্য রপ্তানি ক্ষেত্রে ডিউটি ফ্রি কোটা সুবিধা প্রয়োজন। দেশটিতে আরও ৩৬টি পণ্য রপ্তানির ক্ষেত্রে বাণিজ্য সুবিধা দেওয়া হলে উভয় দেশের বাণিজ্য বাড়বে। গতকাল থাইল্যান্ডের ব্যাংককে দুদিনব্যাপী বাংলাদেশ-থাইল্যান্ড জয়েন্ট ট্রেড কমিটির (জেটিসি) ৫ম সভায় এসব কথা বলেন বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি।
বাণিজ্যমন্ত্রী আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উদ্যোগে দেশের বিভিন্ন এলাকায় একশটি বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল গড়ে তোলার কাজ দ্রুত এগিয়ে চলছে। থাইল্যান্ডের বিনিয়োগকারীরা বাংলাদেশে স্বাস্থ্য খাতে বিনিয়োগ করলে লাভবান হবেন। থাইল্যান্ড যৌথ উদ্যোগে বাংলাদেশে উন্নতমানের হাসপাতাল নির্মাণ করলে বাংলাদেশ সরকার সহায়তা প্রদান করবে।
টিপু মুনশি জানান, গত ২০১৮-২০১৯ অর্থবছরে বাংলাদেশ থাইল্যান্ডে ৪৪.০৬ মিলিয়ন মার্কিন ডলার মূল্যের পণ্য রপ্তানি করেছে, একই সময়ে আমদানি করেছে ৯৫২.৪৩ মিলিয়ন মার্কিন ডলার মূল্যের পণ্য। বাংলাদেশ চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য, ওষুধ, সামুদ্রিক মৎস্য ও অন্যান্য প্রাণিজ পণ্য, কাগজ ও কাগজের পাল্প, সাবান, প্লাস্টিক পণ্য এবং রাবার রপ্তানি করছে।
থাইল্যান্ড এবং বাংলাদেশ ‘ওয়ান বেল্ড ওয়ান রোড’ উদ্যোগের সদস্য, এতে উভয় দেশ বাণিজ্য ও বিনিয়োগের ক্ষেত্রে লাভবান হবে।
সভায় বাণিজ্যমন্ত্রী ৩৬টি পণ্যের তালিকা থাই কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তর করেন। থাইল্যান্ড সরকার বাংলাদেশের উত্থাপিত প্রস্তাবগুলো বিবেচনা করবে বলে জানিয়েছে। থাইল্যান্ডের বিনিয়োগকারীরা দ্রুতই বাংলাদেশের বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল পরিদর্শন করতে আগ্রহী। এ ছাড়া উভয় দেশ কৃষি ও স্বাস্থসেবা খাতে কারিগরি সহযোগিতা বাড়াতে একমত হয়েছে।
জেটিসি সভায় থাইল্যান্ডের পক্ষে দেশটির বাণিজ্যমন্ত্রী জুরিন লাকসানানাওসিত নেতৃত্ব দেন। থাইল্যান্ডে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মো. নাজমূল কোয়াওনি ও বাংলাদেশ প্রতিনিধি দলের সদস্যরা সভায় উপস্থিত ছিলেন। পরবর্তীতে বাংলাদেশ-থাইল্যান্ড জয়েন্ট ট্রেড কমিটির ষষ্ঠ সভা ঢাকায় অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।