ইজতেমা ময়দানে স্থান সংকুলন না হওয়ায় উন্মুক্ত করা হয়েছে পার্শ্ববর্তী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ভবনও

0
247

দেশ-বিদেশের লাখ লাখ ধর্মপ্রাণ মুসলিমদের উপস্থিতির মধ্য দিয়ে ইবাদত-বন্দেগিতে মুখর হয়ে উঠেছে টঙ্গীর তুরাগপারের বিশ্ব ইজতেমা ময়দান। আজ শুক্রবার বাদ ফজর আম বয়ানের মধ্য দিয়ে ৫৫তম বিশ্ব ইজতেমার প্রথম দিনের কার্যক্রম শুরু হয়।

তিন দিনব্যাপী মুসলিম জাহানের এই বৃহত্তর গণজমায়েতে বয়ান পেশ করবেন দেশ-বিদেশের আলেম ও তবলিগ জামাতের শীর্ষ মুরব্বিরা। আগামী রোববার আখেরি মোনাজাতে শেষ হবে এই ইজতেমার।

হস্পতিবার ভোর থেকে শুরু হওয়া যানজটে দুর্ভোগে পড়েন এসব মুসল্লি। যানবাহন থেকে নেমে তাদের মালপত্র পিঠে বোঝাই করে হেঁটে গন্তব্যে পৌঁছতে হয়েছে।

দীর্ঘ পথ পাড়ি দিয়ে আসা ক্লান্ত এসব মুসল্লি যানজটে নাকাল হয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেন ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা নিয়ে। তবে শেষ মুহূর্তে সব বাধা ও কনকনে শীত উপেক্ষা করে লাখো মুসল্লির মিলনস্থলে পরিণত হয়েছে ইজতেমা ময়দান। ইজতেমা ময়দানে স্থান সংকুলন না হওয়ায় মুসুল্লিদের জন্য উন্মুক্ত করা হয়েছে পার্শ্ববর্তী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ভবন গুলোও।

শুক্রবার দুপুরে ইজতেমা ময়দানে অনুষ্ঠিত হবে বৃহত্তম জুমার নামাজ। নামাজে টঙ্গী ও আশপাশের এলাকার হাজার হাজার মুসল্লি অংশগ্রহণ করবেন। এ ছাড়া ইজতেমার মূল ময়দানে লাখো মুসল্লি এতে শরিক হবেন বলে আশা আয়োজকদের।

এবার ৬৪ জেলা নিয়ে একসঙ্গে ইজতেমা আয়োজনে লোকসমাগমও ঘটেছে অন্যান্য ইজতেমার চেয়ে বেশি। ইজতেমার নিরাপত্তায় ত্রিমাত্রিক ব্যবস্থা থাকছে বলে জানিয়েছেন র‌্যাবের মহাপরিচালক বেনজীর আহমেদ।

গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের কমিশনার মো. আনোয়ার হোসেন জানান, বিশ্ব ইজতেমার চারপাশ এবং বাহির সিসি টিভির আওতায় আনা হয়েছে। পুলিশের সংখ্যা বাড়ানো হয়েছে। বিশ্ব ইজতেমায় আগত মুসল্লিদের সার্বিক নিরাপত্তার জন্য সাড়ে আট হাজার পুলিশ, নিরাপত্তা কর্মী কাজ করবে। এর মধ্যে রয়েছে জেলা পুলিশ, আর্ম পুলিশ ব্যাটালিয়ন, শিল্প পুলিশ, হাইওয়ে পুলিশ, মেট্রো পুলিশ ও সাদা পোশাকের পুলিশ রয়েছে। যেকোনো প্রকার নাশকতা প্রতিরোধ পুলিশ সব সময় তৎপর রয়েছে।